মোবাইল ঘড়ি কোনটি কিনবেন

  

Smart watch


অনেকেই মোবাইল ঘড়ি বা স্মার্টওয়াচ শব্দটির সাথে পরিচিত। 

মোবাইল ঘড়ি বা স্মার্টওয়াচ এর সাহায্যে আপনি কল করা থেকে শরীরের হার্টবিট পর্যন্ত মাপার সুবিধা থেকে থাকে।

আজকার দিনে অনেকেই মোবাইল ঘড়ি বা স্মার্টওয়াচ ব্যবহার করে থাকেন নিত্যদিনের লাইফকে আরো 

প্রোডাক্টিভ করে তুলতে। আজকে আমরা কথা বলবো স্মার্টওয়াচ বা মোবাইল ঘড়ি নিয়ে নিয়ে, চলুন শুরু করা যাক।


DZ09 (ডিজেড জিরো নাইন) - 


মাইক্রো সিম সাপোর্টেড এই ওয়াচ টি দিয়ে আপনি সরাসরি কল রিসিভ এবং ডায়াল করতে পারবেন। এছাড়া চাইলে ক্ষুদেবার্তা বা মেসেজ আদান প্রদান ও করতে পারবেন এটা দিয়ে। তাছাড়া এতে রয়েছে contract,  Music player এমনকি ক্যামেরা ও রয়েছে এতে।

ব্লুটুথ সুবিধাযুক্ত এই ওয়াচটিতে রয়েছে ইন্টারনেট ব্রাউজার, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ সুবিধা ও।

এর রয়েছে 380 Mah এর একটি ব্যাটারী এবং এই ওয়াচটির দাম পড়বে মাত্র ১২৬০ টাকা।


A1 Smart Watch (এ ওয়ান স্মার্ট ওয়াচ)


ব্লুটুথ সুবিধা যুক্ত এই ঘড়িটিতে রয়েছে ফোন করার সুবিধা, ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সুবিধা, ৩৮০ এমএইচ এর ব্যাটারী পাশাপাশি গান শুনা এবং ক্যামেরা ব্যবহার করার সুবিধা ও রয়েছে এতে।


মাত্র ৯৫০ টাকায় মার্কেটে পেয়ে যাবেন ঘড়িটি। 


V8 Smartwatch (ভি এইট স্মার্টওয়াচ)


- ৩৮০ এমএইচ এর এই ঘড়িতে রয়েছে Call dial এবং Receive করার সুবিধা।

এতে আরো রয়েছে Music শোনা, ক্যামেরা এবং ব্লুটুথ সুবিধাও ও। এবং চাইলে এর সাহায্যে আপনি ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে ও পারবেন।

মজার বিষয় এই স্মার্টওয়াচটির দাম পড়বে মাত্র ১১৯৯ টাকা।


🔥 উপরে কথা বললাম যে ঘড়ি গুলো দিয়ে আপনি কল করার সুবিধা পাবেন এবার কথা বলবো যে ঘড়িগুলো সাহায্যে আপনি ফিটনেস ট্র্যাক, হার্টবিট কাউন্ট, স্টেপ ইত্যাদি গণনা করতে পারবেন সেগুলোর লিষ্ট,স্পেশিফিকেশন এবং দাম। তো চলুন শুরু করা যাক আবার...


Haylo Smart watch solar LS05 


- এই স্মার্ট ডিভাইসটি এন্ডয়েড ৪.৪ এবং আই এ ওস এ ৮ এর উপরের ভার্সন সাপোর্ট করে।


-এতে রয়েছে প্রফেশনাল স্পোর্টস মোড, ওয়াকিং, জগিং, জিম, রানিং সহ অনেক অনেক মোড। 


- ৬ পয়েন্ট আইপি ওয়াটপ্রুফ গ্রেড রয়েছে এই ঘড়িটিতে।


- একবার চার্জ এ পাবেন ৬ দিনের ব্যাকআপ, আর শুধু হার্ট মনিটরিং করলে পাবেন ১৫ দিনের চার্জ ব্যাকআপ।

এই ঘড়িটির দাম পড়বে ২২০০ টাকা। 


xiaomi Mibro Air Smart Watch


- খুবই লাইটওয়েট এই ওয়াচটিতে পাবেন ২৫ দিনের স্টান্ডবাই চার্জ ব্যাকআপ।


- এতে রয়েছে প্রায় ২৫টি ভিন্ন ভিন্ন স্পোর্টস মোড। এই ঘড়িটি সম্পূণ ওয়াটারপ্রুফ এবং ডাস্টপ্রুফ।


বাংলাদেশের মার্কেটে ঘড়িটির প্রাইস পড়বে প্রায় ২৫০০ টাকা।



ক রকম ফিচার।  ব্লুটুথ সিস্টেম সাপোর্ট করা এই ঘড়িতে রয়েছে কল করার সুবিধাও।

চাইলে এই ঘড়ি দিয়ে করতে পারবেন মেসেজ ও।

we chat সহ নানা অ্যাপস ব্যবহার এর ও সুবিধা দিয়ে থাকে এই ঘড়িটি। 

এটা দিয়ে চাইলে আপনি আপনার হার্ট রেট ও পরিমাপ করতে পারবেন। বডি টেমপেরাচার এমনকি ব্লাড প্রেসার ও মাপা যায় চমৎকার এই ঘড়িটি দিয়ে।

ক্যালেন্ডার,  স্টপওয়াচ এর মতো ফিচার ও রয়েছে ঘড়িটিতে। মাত্র ৫০ গ্রাম ওজন এর এই ঘড়িটিতে রয়েছে ২২০ ওয়াট এর শক্তিশালী ব্যাটারী।

বাংলাদেশ এর বাজারে এই ঘড়িটির দাম পড়বে মাত্র ২২০০ টাকা। কাজের তুলনায় হিসাব করলে খুব অল্প টাকায়ই মিলবে চমৎকার সব ফিচার সমৃদ্ধ এই ঘড়িটি।


উপরে বেশ কয়েকটি ভিন্ন ভিন্ন মডেল এর ঘড়ি, ভিন্ন প্রাইস রেন্জ এবং ভিন্ন ফিচার এর ঘড়ি নিয়ে আলোচনা করেছি।

যে কেউ এসব ঘড়ি কেনার ইচ্ছা থাকলে আমার পোষ্টটি পড়ে নিতে পারেন এতে আপনারই উপকার হবে। যদি পোষ্ট টি ভালো লাগে এবং পড়ে আপনি উপকৃত হোন তাহলে পোষ্ট টি শেয়ার করতে ভূলবেন নাহ।




মোবাইল ওয়ালপেপার এর কালেকশন

 

মোবাইল ওয়ালপেপার



আপনার শখের ফোনটিকে আরো দৃষ্টিনন্দন করে তুলে সুন্দর একটি ওয়াপেপার। সুন্দর একটি ওয়ালপেপার ছাড়া দামী ফোনটিকে কেমন জানি ফাক্যাসে মনে হয়।

তাই আজকে আপনাদের সেরা কিছু এন্ডয়েড অ্যাপস এর কথা জানাবো যার সাহায্যে ফ্রিতেই আপনি HD এমনকি 4k রেজুলেশন এর ওয়ালপেপার ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন আপনার ফোনে। তাই চলুন শুরু করা যাক।


🔥 ZedGe - প্লে স্টোর এ থাকা এই অ্যাপসটি ডাউনলোড হয়েছে প্রায় ১০০ মিলিয়ন বার। অ্যাপসটির সাইজ মাত্র ২৫ মেগা বাইট।

অ্যাপসটি রয়েছে নানা রকম ওয়ালপেপার, 4k, HD সহ রয়েছে লাইভ ওয়ালপেপার ও। আর এইসব ওয়ালপেপার পেয়ে যাবেন একদম ফ্রিতে। অ্যাপসটির লিংক -



🔥 4k Wallpaper - Auto wallpaper changer - এই ওয়ালপেপার অ্যাপসটি প্লে স্টোর এ খুজলেই পেয়ে যাবেন এটিও সম্পূর্ণ ফ্রি একটি অ্যাপস ।এর অ্যাপটির সাইজ মাত্র ৫ এমবি এবং প্রায় ১ কোটি বার এর বেশী ডাউনলোড হয়েছে এই অ্যাপটি। অ্যাপসটির ডাউনলোড লিংক - 


🔥 Black Wallpaper - এর অ্যাপসটিতে মূলত ব্ল্যাক বা কালো থিম এর সব ওয়ালপেপার পেয়ে যাবেন। যাদের কালো ওয়ালপেপার পছন্দ তারা এটি চেক করে দেখতে পারেন। অ্যাপসটির সাইজ  ৭৫ এমবি কারণ এতে রয়েছে অনেক অনেক ওয়ালপেপার৷ অ্যাপটির প্লে স্টোর লিংক -



 🔥 Love Wallpapers - যারা প্রেম ভালোবাসা নিয়ে পড়ে থাকেন বা কাপল দের জন্য মূলত এর ওয়ালপেপারটি, রোমান্টিক কাপল, লাভ কোয়েটস থেকে কি নেই এর ওয়ালপেপারটিতে। গুগল প্লে স্টোর এর থাকা এই ওয়ালপেপারটির সাইজ মাত্র ৬ এমবি৷ অ্যাপটির গুগল প্লে স্টোর লিংক - 


🔥 Emoji Wallpaper - যারা ইমোজির খুব ভক্ত বা ইমোজি পছন্দ করে থাকেন তাদের জন্য নিয়ে এলাম এই অ্যাপসটি।

এতে পাবেন নানা রকম এর ইমোজি

ওয়ালপেপার। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।

অ্যাপসটির সাইজ ৩৪ এমবি এবং অ্যাপসটির প্লে স্টোর লিংক - 



আসা করি আজকের আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লেগেছে।

ধন্যবাদ Techcaca এর সাথেই থাকুন।


নগদ একাউন্ট খোলার পদ্ধতি

 

Nagad Account


দেশে মোবাইলে টাকা লেনদেন এর জন্য পরিচিত একটি নাম হচ্ছে (Nagad) নগদ। বাংলাদেশ ডাক বিভাগ কতৃক পরিচালিত এই অর্থ লেনদেন মূলক সেবাটি দিন দিন অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

এর পিছনে মূলত নগদ এর গ্রাহক সেবা এবং কম খরচে ক্যাশ আউট সুবিধাকে অন্যতম কারণ ধরা হয়ে থাকে। চলুন কথা না বাড়িয়ে নগদ এর একাউন্ট খোলা এবং এর সাথে প্রয়োজনিয় কিছু তথ্য জেনে নেই...



🌀 নগদ একাউন্ট খোলার পদ্ধতি -


একাউন্ট খুলতে প্রথমে আপনার

স্মার্টফোন বা বটম ফোন থেকে ডায়াল করুন *১৬৭# ওকে। 

তারপর আপনার স্কীনে লেখা আসবে ৪ ডিজিটের একটি পিন নাম্বার দেওয়ার জন্য,  পিন নাম্বারটি দিয়ে Send অপশন এ ক্লিক করবেন।


এর পরে আবার লেখা আসবে Confirm new pin মানে আগে যে ৪ ডিজিটের পিনটি দিয়েছেন তা আবার দেওয়ার জন্য, এবার ও পিন দিয়ে send অপশন এ ক্লিক করুন।


তারপরে এইরকম একটি লেখা আসবে স্কীনে - 

do you want a profit bearing account? 

Yes no

এর মানে আপনি কি আপনার একাউন্ট এর জমা থাকা টাকার উপরে নিদিষ্ট হারে প্রফিট বা সুদ পেতে চান, পেতে চাইলে yes ক্লিক করুন, আর না পেতে চাইলে No সিলেক্ট করুন। 


ব্যাস হয়ে গেলো আপনার নগদ একাউন্ট খোলা, এখন আপনার বটম ফোন হলে *১৬৭# ওকে ডায়াল করলেই আপনি আপনার নগদ একাউন্ট এর ডুকে যাবেন।


আর স্মার্টফোন হলে আপনি প্লে স্টোর থেকে নগদ অ্যাপস টি নামিয়ে নিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে  ইমেলই এর জায়গায় আপনার নাম্বার,  আর পাসওয়ার্ড এর জায়গায় আপনি ৪ ডিজিটের যে পাসওয়ার্ডটি দিয়েছিলেন তা দিয়ে লগ ইন করতে পারবেন।



🌀 নগদ একাউন্ট এর সুবিধা - 


নগদ এর একাউন্ট কিভাবে তৈরি করবেন তা তো জেনে গেলেন এবার চলুন নগদ এর কিছু সুবিধা সম্পর্কে জানি...


- নগদ অ্যাপ থেকে ক্যাশ আউট চার্জ প্রতি হাজারে মাত্র ১১ টাকা,


আর  বাটন ফোন থেকে প্রতি হাজারে ১৫ টাকা ক্যাশ আউট চার্জ ভ্যাট সহ। এতো কম ক্যাশআউট বর্তমানে বাংলাদেশে নগদ ছাড়া অন্য কোনো ইন্টারনেট ব্যাংকি সেবা দিচ্ছে নাহ।


- নগদে রয়েছে ইন্টারনেট ব্যাংকি এর সুবিধা ও। এতে আপনি নিদিষ্ট কিছু ব্যাংক থেকে নগদে টাকা ক্যাশ ইন করতে পারবেন কোনো চার্জ ছাড়াই।


- আপনি চাইলে আপনার ব্যাংক এর কার্ড থেকেও নগদে টাকা ডুকাতে পারবেন।


- অন্য সব মোবাইল ব্যাংকি সেবার মতো নগদে ও রয়েছে মোবাইল রিচার্জ করার সুবিধা। নগদ থেকে আপনি সহজেই মোবাইল এ টাকা রিচার্জ করতে পারবেন। 


- নগদের রয়েছে মুনাফা ব্যবস্হা বা সুদ এর ব্যবস্হা !  আপনি যদি চান তাহলে নগদ আপনাকে আপনার একাউন্টে জমা থাকা টাকার উপরে বছরে নিদিষ্ট হারে ইন্টারেস্ট বা সুদ প্রধান করবে।


- তাছাড়া নগদ থেকে বিভিন্ন ধরণের বিল ও পরিশোধ করা যায় যেমন ইন্টারনেট বিল,  বিদ্যুৎ বিল, পানি বিল,  গ্যাস বিল ইত্যাদি।


- আপনি চাইলে নগদ থেকে বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় ডোনেট ও করতে পারবেন। 



🌀 নগদ একাউন্ট দেখার নিয়ম -


নগদে আপনার একাউন্ট এর ব্যালান্স চেক করতে ডায়াল করুন

*১৬৭# ওকে, তারপর মাই নগদ সিলেক্ট করুন, এর পরে ব্যালান্স ইনকুয়েরি সিলেক্ট করলেই আপনার একাউন্ট এ কতো টাকা আছে তা দেখতে পারবেন।

 

*167# ok

-  my nagad 

-  balance Inquiry.. 


🌀 নগদ একাউন্ট এর অসুবিধা -


নগদে যেমন ভুরিভুরি সুবিধা রয়েছে তেমনি কিছু অসুবিধা ও রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম কিছু সমস্যা হচ্ছে -


নগদের এজেন্ট বা ক্যাশআউট পয়েন্ট এখনে সব জায়গায়/ সব এলাকায় পাওয়া যায় নাহ। তাই প্রয়োজনে নগদ থেকে ক্যাশআউট করতে অনেক জায়গায় বেশ কষ্ট করতে হয়।


দেশের অন্য মোবাইল ব্যাংকি সেবা যেমন বিকাশ এর পেমেন্ট গেটওয়ে আপনি যেকোনো সুপারমল, শপ, রেস্টুরেন্ট এ পেয়ে যাবেন কিন্তু নগদ এক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে আছে নগদ দিয়ে পেমেন্ট করার সুবিধা অনেক জায়গাতেই এখনো মিসিং।





 🌀 নগদ হেল্প লাইন -


অনেক ক্ষেত্রে নগদ ব্যবহারে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়, যেহেতু বেশির ভাগ মানুষ বিকাশ ব্যবহার করে আসছে তাই অনেক কিছুই বুঝে উঠতে পারেন না এক্ষেত্রে নগদ এর হেল্পলাইনে কল দিন।

নগদ এর হেল্পলাইনের নাম্বার - 16167

নগদ হেল্পলাইনের আরো একটি নাম্বার -

096 096 16167


অথবা ইমেইল এ লিখে জানাতে পারেন আপনার সমস্যাগুলো। নগদ এর ইমেল এড্রেস -

Email - Info@nagad.com.bd


বিশেষ প্রয়োজন হলে চলে যেতে পারেন নগদের অফিসে। নগদের অফিসের ঠিকানা - 


ডেলটা দোহালিয়া টাওয়ার, ৩৬ কামাল আর্তাতুক এভিনিউ, বনানী ঢাকা।


আর্টিকেল যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন নাহ।

এ রকম আরো প্রয়োজনিয় আর্টিকেল পড়তে টেকচাচা এর সাথেই থাকুন।

ধন্যবাদ সবাইকে।


ড্রোন ক্যামেরা নিয়ে জানুন!

 

ড্রোন ক্যামেরা


আজকে আমরা কথা বলবো Drone Camera নিয়ে। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন প্রায় সবাই ড্রোন শব্দটির সাথে পরিচিত। ড্রোন এর ব্যবহার নানা কাজে এখন অহরহ হচ্ছে। সার্ভে থেকে শুরু করে এডকেশন, যুদ্ধ, এন্টারটেইনমেন্ট প্রায় সব সেক্টরেই এখন কম বেশী ড্রোন এর ব্যবহার লক্ষ করা যায়।

ড্রোন নানা ধরণের হয়ে থাকে নানা প্রকারের হয়ে থাকে। ড্রোন ক্যামেরা কি, ড্রোন ক্যামেরার ব্যবহার, ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার এর শর্ত, কোন ড্রোনটি ভালো হবে এবং কোথায় পাবেন ড্রোন ক্যামেরা এইসব কমন প্রশ্নের উত্তর জানবো আজকের এই আর্টিকেলে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক...


🌀 ড্রোন ক্যামেরা কি? 


 - সহজ ভাবে বলতে গেলে ড্রোন হচ্ছে এক ধরণের ইলেকট্রনিক ডিভাইস যাকে আপনি আকাশে একটি নিদিষ্ট উচ্চতাতে নিদিষ্ট সময় পর্যন্ত উড়াতে পারবেন, এবং তার সাথে সংযুক্ত  থাকা ক্যামেরা দিয়ে উপর থেকে ভিডিও বা ইমেজ শূট করতে পারবেন।


🌀 ড্রোন ক্যামেরা কিভাবে ব্যবহার করে? 


- বাজারে আজকাল অনেক মডেলের ড্রোন ক্যামেরা রয়েছে, প্রত্যেকটি ড্রোন এর সাথে নিজস্ব কন্টোলার থাকে যা দিয়ে ড্রোন এবং ক্যামেরাটিকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

আপনার কাছে ড্রোন থাকলে তার মডেল লিখে ইউটিউব এ how to control লিখে সার্চ করলে ড্রোনটি কন্টোল করার উপায় শিখে যাবেন।


🌀 সবাই কি ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারবে? 


- হ্যা, প্রায় সবাই ই ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারবে, তবে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নিয়ম রয়েছে ড্রোন এর ব্যবহার নিয়ে। মডেল, ওজন, জায়গা ইত্যাদি ভেদে ড্রোন ব্যবহার এর অনেক নিয়ম কানুন রয়েছে।


🌀 বাংলাদেশ এ ড্রোন ব্যবহার এর নিয়ম কানুন কি কি? 


- বাংলাদেশে ও ড্রোন ব্যবহার এর নিদিষ্ট কিছু নীতিমালা রয়েছে এগুলো ভংগ করলে আপনার আইনত শাস্তি হতে পারে। চলুন জেনে নেই সেগুলো কি কি..


- আপনি ৫ কেজি এর নিচের ওজন এর ড্রোন ব্যবহার করতে পারবেন এতে কারো পারমিশন লাগবে নাহ কিন্তু যদি আপনার ড্রোনটির ওজন ৫ কেজির বেশী হয় তাহলে তা উড়ানোর জন্য আপনাকে বাংলাদেশ মিলিটারি এর পারমিশন নিতে হবে। যা অনেক ঝামেলার কাজ।


- আপনি যদি প্রফেশনাল কাজ যেমন ল্যান্ড সার্ভে করতে ড্রোন ব্যবহার করেন সেক্ষেত্রে ও আপনাকে পারমিশন নিতে হবে। 


- যেকোনো বিমানবন্দর এর ৫ কিলোমিটার এর ভিতরে আপনি ড্রোন উড়াতে পারবেন নাহ। এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ


- অনুমতি ছাড়া রাতে ড্রোন চালানো যাবে নাহ।


- কোনো VVIP (very very Important person) এর সভা সমাবেশ থাকলে উক্ত এরিয়াতে ৩ কিলোমিটার পযর্ন্ত,  ৩ দিন আগে থেকে ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ থাকবে।


উপরের নিয়মগুলো ভংগ করলে আপনি আইনত শাস্তির আওতায় পড়বেন। 


 🌀 ড্রোন কিনবেন কি দেখে? 


চলুন জেনে নেই ড্রোন ক্যামেরা কেনার আগে কি কি বিষয়গুলো লক্ষ রাখবেন।


- ড্রোনটি কতো সময় আকাশে ফ্লাই করতে পারবে তা জেনে নিন।


- ড্রোনটি কতো মিটার উপরে তুলতে পারবেন তা খেয়াল রাখুন।


- ড্রোনটির ব্যাটারী ব্যাকআপ কতটুকু জানুন, আপনাকে কতো সময় সার্ভিস দিতে পারবে তা জানা খুবই জরুরী।


- ড্রোনটির ক্যামের নিয়ে জানুন, ক্যামেরটি কতো রেজুলেশন এর, কি কি ফরম্যাট এ রেকর্ড করতে পারবেন তা জানুন।


- সবশেষে ড্রোনটির ওজন এর দিকে খেয়াল রাখুন, কারণ ৫ কেজির ড্রোন ফ্লাই করাতে আপনার আলাদা করে পারমিশন এর প্রয়োজন হবে।


🌀  বাংলাদেশে এ  বাজেটে ভালো ড্রোন কোনটি? 



- ড্রোন জগতে ডিজেআই (Dji) একটি পরিচিত নাম, ডিজেআই এর অনেক নামীদামী ড্রোন যা বিগিনার থেকে প্রফেশনাল অনেকেই ব্যবহার করে থাকেন।


- আপনারা যদি ভালো কোয়ালিটির ড্রোন কিনতে চান, লম্বা সময় ধরে ভালো রেকর্ডি করতে চান তাহলে আপনাদের আমি Dji mini 2 ড্রোনটি সাজেস্ট করবো।


- Dji mini 2 তে রয়েছে 4k 30fps এর ভিডিও রেকর্ড করার ক্ষমতা।


- আমি সাজেস্ট করবো এর Fly more combo ভার্সনটি কেনার জন্য এতে আপনারা ৩ টি ব্যাটারী সাথে পাবেন। এবং প্রত্যেকটি ব্যটারী আরাউন্ড ২৫ মিনিট করে ব্যাটারী ব্যাকআপ দিবে।


- Dji এর mini 2 এর fly more combo টির দাম পড়বে প্রায় ৭০ হাজার টাকা, ড্রোনটি বিগিনার দের জন্য + এতে আপনি প্রফেশনাল সব কাজই করতে পারবেন। 


- কম টাকায় ড্রোন অনেক আছে কিন্তু কিনলে তা বেশীদিন ঠিকবে নাহ এবং আপনি ব্যবহার করেও স্যাটিসফাইড হবেন নাহ। তাই সময় নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।


🌀 ড্রোন কই পাবো? কোথা থেকে কিনবো?


- বাংলাদেশ এ ড্রোন কেনা বা রিপেয়ারিং এর জন্য Drone Square পেজটি অনেক ভালো সার্ভিস দিয়ে থাকে।


- ফেসবুকে Drone Square লিখে সার্চ করলেই পেজটি পেয়ে যাবেন।


ড্রোন ব্যবহার করার নানা কারণ থাকে প্রথমে এটা ঠিক করুন আপনি ঠিক কি কারণে ড্রোন কিনতে চাইছেন।  যারা বিগিনার + একটি ভালো কোয়ালিটির লং লাষ্টিং ড্রোন কিনতে চাইছেন তারা Dji এর ড্রোনগুলো চেক করতে পারেন।

নাম না জানা চায়না ড্রোন কিনার আগে মাথার রাখবেন জিনিস যেমন সস্তা তেমনি সার্ভিস ও খারাপ পাবেন। তাই আপনার প্রয়োজন বুঝে ড্রোন কিনবেন। আর ড্রোন উড়ানোর আগে নিয়ম কানুনগুলো ভালো করে জেনে নিবেন। ৫ কেজির উপরে ড্রোন কিনতে যাবেন না এতে পারমিশন এর জন্য অনেক ঝক্কি জামেলা পোহাবেন।


আর্টিকেলটি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন নাহ।

টেকচাচা এর সাথেই থাকুন।

ধন্যবাদ সবাইকে।

How To Create Apple Id | Bangla

 বর্তমানে স্মার্টফোন বাজারে আইফোন খুব টেন্ডিং এ আছে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল Technology এর দেশ

বর্তমানে স্মার্টফোন বাজারে আইফোন খুব টেন্ডিং এ আছে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল Technology এর দেশে অফিশিয়াল এর চেয়ে আনঅফিশিয়াল এবং সেকেন্ড হ্যান্ড আইফোন এর প্রচলনই বেশী। প্রায় সবাই ই ব্যবহৃত আইফোন কিনে ব্যবহার করে থাকেন।

 এন্ডোয়েড ফোন এ যেমন প্লে স্টোর সহ অনান্য ফিচার ইউজ করতে হলে জিমেইল আইডির প্রয়োজন হয় তেমনি আইফোন এর ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় Apple Id (এপল আইডির)। তবে এখানে একটি কথা হচ্ছে জিমেইল খোলা এবং সেটআপ করা যতোটা সহজ Apple Id ততোটাই প্যাচানো। তবে যারা পুরো বিষয়টি জানেন তাদের জন্য ডালভাত! চলুন তাই কথা না বাড়িয়ে Apple Id খোলার এ টু জেড সব কিছু জেনে নিই।


✏️ প্রথমেই একটা জিনিস ক্লিয়ার করে নেই,  এই পোস্টে আমি দেখিয়েছি কিভাবে এন্ডোয়েড ফোন দিয়ে Apple Id তৈরি করবেন।


🌀 প্রথমেই আপনার এন্ডোয়েড এর ব্রাউজার এ গিয়ে Apple Id Create লিখে সার্চ দিন। সার্চ দেওয়ার পর অ্যাপল এর সাইটটি সবার উপরে আসবে। সাইটিতে ডুকুন।


🌀 তারপরে নিচের ছবির রকম ইন্টারফেস আসবে এখানে Fast/Last Name এ নিজের নাম দিন। যেমন আপনার নাম Abdul Haque হলে। Fast নেম এ Abdul আর Last এ Haque দিন।


🌀 তারপর Country/Region  এ Bangladesh সিলেক্ট করে দিন।



🌀 পরের ধাপে আপনার ডেট অবব বার্থ বা জন্ম তারিখ দিন/ মাস /বছর দিয়ে পুরো করুন।


🌀 তার ঠিক পরের বক্স এ আপনি আপনার জিমেইল আইডিটি দিন। 


🌀 এর পরের দুটি বক্সে দেখুন password এবং Confirm Password লিখা এখানে আপনি আপনার Apple Id এর জন্য যে পাসওয়ার্ড টি দিতে চান সেটি পরপর ২ বার লিখুন। মনে রাখবেন উভয় পাসওয়ার্ড গুলো সেইম হতে হবে।


🌀 এর নিচের ধাপে বক্সে Bangladesh সিলেক্ট করে এর নিচের বক্সে আপনার ফোন নাম্বারটি দিন। মনে রাখুন যে নাম্বারটি দিবেন তাতে Apple একটু পরেই ভেরিফিকেশন কোড পাঠাবে তাই সচল নাম্বার দিন।


🌀 তারপর ভেরিফাই মেথড Text Message সিলেক্ট করে নিচের ক্যাপচাটি পূরণ করে Continue তে ক্লিক করুন।


🌀 তারপর আপনার ফোন এবং জিমেইল এ আলাদা আলাদ ২টি ভেরিফিকেশন কোড যাবে সেগুলো দিয়ে আইডিটি ভেরিফাই করুন। 


🌀 এখন আপনার Apple আইডি খোলা শেষ আপনার এখন আইডিটি আইফোন এ সেটআপ করার পালা।


🌀 আপনার ব্যবহৃত আইফোনটি অথবা যে আইফোনে আপনি অ্যাপল আইডিটি লগিন করতে চান সেটি হাতে নিন।


🌀 হাতে নেওয়ার পরে ফোনটির Setting অপশনে প্রবেশ করুন।


🌀 এবার সেটিং অপশন এর সবার উপরে লেখা দেখবেন SignIn To your I phone. এই লেখায় ক্লিক করুন।


🌀 তারপর দেখবেন Apple Id লিখা এবং এর পর ফাকা জায়গা আছে।

ঐ ফাকা জায়গায় আপনি একটু আগে যে জিমেইল দিয়ে Apple Id খুলেছেন ওইটা দিন। তারপর উপরে কর্ণারে Next লিখা দেখবেন ওখানে ক্লিক করুন।


🌀 তারপর Password লিখে পাশে খালি জায়গা আসবে, এখানে আপনার একটু আগে যে পাসওয়ার্ড দিয়ে Apple id খুলেছিলেন সেটি দিন। তারপর আবার আগের মতো Next button এ ক্লিক করুন।


🌀 তারপরের ধাপে আপনাকে Enter Your I phone passcode মানে আইফোনর পাসওয়ার্ড টি দিতে হবে।


🌀 ব্যাস আপনি এখন পযন্ত সবগুলো ধাপ ঠিকঠাক মতো করে থাকলে আপনার Apple Id টি আপনার ফোনে সেটআপ হয়ে যাবে।


Apple Id মূলত আইফোন দিয়ে আরো অনেক সহজে খোলা যায় এবং আইফোন দিয়ে খুললে খুব সহজেই সেটআপ করা ও যায়।

তবে অনেকেরই আইফোন ব্যবহারের নতুন অভিজ্ঞতা থাকে। তাই তাদের কথা চিন্তা করে আমি এই টিউটোরিয়ালে দেখিয়েছি কিভাবে এন্ডয়েন্ড দিয়ে সহজে Apple Id তৈরি করা যায়। 


আর্টিকেলটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন নাহ। এমন আরো লিখা পড়তে টেকচাচা এর সাথেই থাকুন।


ধন্যবাদ সবাইকে।


পোষ্ট এর সাথে দেওয়া ইমেজটি ক্লিয়ার না দেখা গেলে, ইমেজ এর উপর ক্লিক করুন। 

How To Create Apple Id Bangla

create